মেনু নির্বাচন করুন

মহিষার দিগম্বরী উ্চ্চ বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

মহিষার দিগম্বরী উচ্চ বিদ্যালয়টি শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার মহিষার গ্রামে অবস্থিত। ১৯২৫খ্রিঃ তৎকালীন হিন্দু জমিদার শ্রী গোপাল কৃষ্ণ গাঙ্গুলী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ০১-০১-১৯২৭খ্রিঃ তারিখে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বীকৃতি লাভ করে। অতঃপর ৬০জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিদ্যালয়টি তার শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। এরপর ১৯৩০সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সর্ব প্রথম এই বিদ্যালয়ের ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই খেলাধুলা, প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফল ও সংস্কৃতি চর্চাসহ বিভিন্ন দিকে বিধ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনবদ্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে বিধায় এর সুনাম বহুদূর ছড়িযে পড়ে। ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠ থেকে দেশ বিদেশের বহু হুণগ্রাহী

তৎকালীন হিন্দু জমিদার অধ্যুষিত এলাকা হিসাবে পরিচিত মহিষার গ্রামটির সুনাম ছিল সুদূর প্রসারী। এই সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে শ্রী গোপাল কৃষ্ণ গাঙ্গুলী, পিয়ারী মোহন মল্লিক, শ্রী মাখন লাল ঘোষাল, কামিনি মোহন ব্যানার্জি, ব্রজেন্দ্রনাথ দূর্গা গাঙ্গুলী, দ্বিজিন্দ্রনাথ ঘোষাল, কেদারনাথ চক্রবর্তী, হরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলী, যোগেশ চন্দ্র মল্লিক, দূর্গা মোহন গাঙ্গুলী, অক্ষয় কুমার ঘটক প্রমুখ ব্যক্তিবর্গের নাম উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে আরব আলী মোড়ল ও আলেক চাঁন বাবুশ্চীর নামও উল্লেখযোগ্য। তৎকালীন অন্যতম হিন্দু জমিদার শ্রী গোপাল কৃষ্ণ গাঙ্গুলী তার বাড়ীর নিকট বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চিন্তা করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি তৎকালীন হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রায় ২২জন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে এক সভায় উক্ত বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষনা দেন এবং সাথে সাথে তিনি বিদ্যালয়টি তার মা রাশমনির নাম অনুসারে রাশমনি উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণেরও প্রস্তাব দেন। অতঃপর সভায় নামকরণের ব্যাপারে বিভিন্ন জন দ্বিমত পোষণ করলে পিয়ারী মোহন মল্লিক নাম এক হিন্দু জমিদার কালীর অপর নাম দিগম্বরী দেবী'র নামঅনুসারে বিদ্যায়টির নাম দিগম্বরী উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণের প্রস্তাব দেন। অতঃপর প্রস্তাবটি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়। এ ভাবেই বিদ্যালয়টি মহিষার দিগম্বরী উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণ হয়।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

৬ষ্ঠ শ্রেণীঃ ছাত্রঃ ৬৬জন ছাত্রী ৬৭জন মোটঃ ১৩৩জন, ৭ম শ্রেণীঃ ছাত্রঃ ৫৪জন ছাত্রীঃ ৭২জন মোটঃ ১২৬জন, ৮ম শ্রেণীঃ ছাত্রঃ ৪৬জন ছাত্রীঃ ৫৭জন মোটঃ ১০৩জন, ৯ম শ্রেণীঃ ছাত্রঃ ৩২জন ছাত্রীঃ ৩২জন মোটঃ ৬৪জন, ১০ম শ্রেণীঃ ছাত্রঃ ৩৪জন ছাত্রীঃ ৩৭জন মোটঃ ৭১জন।

৯০%

ক্রমিক নংনামপদবী
জনাব হাজ্বী নুরুল ইসলাম সিকদারসভাপতি
জনাব সেলিম হায়দারঅভিভাবক সদস্য
জনাব খলিলুর রহমান সিকদারঅভিভাবক সদস্য
জনাব আলমগীর হাওলাদারঅভিভাবক সদস্য
জনাব মোস্তফা চৌধুরীঅভিভাবক সদস্য
জনাবা বিউটি বেগমসংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য
জনাব নাঈমুল ইসলাম হাসানদাতা সদস্য
জনাব জালাল উদ্দিন সিকদারকো-অপ্ট সদস্য
জনাব আব্দুর রব মিয়াশিক্ষক প্রতিনিধি
১০জনাবা শীলা রানী মোদকশিক্ষক প্রতিনিধি
১১জনাবা পিয়ারা বেগমসংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি
১২জনাব মোহাম্মদ শাহ আলম (প্রধান শিক্ষক)সদস্য সচিব

জে.এস.সি

সালমোট পরীক্ষার্থীউত্তীর্ন পরীক্ষার্থীপাশের হার
২০১০ইং৭৭জন৪২জন৫৪.৫৫%
২০১১ইং১০৪জন৭২জন৬৯.২৩%
২০১২ইং৯২জন৭৫জন৮১.৫৩%
২০১৩ইং৬৬জন৬০জন৯০.৯১%
২০১৪ইং   

এস.এস.সি

সালমোট পরীক্ষার্থীউত্তীর্ন পরীক্ষার্থীপাশের হার
২০১০ইং২৩জন২২জন৯৫.৬৬%
২০১১ইং৫৩জন৪৭জন৯০.৩৮%
২০১২ইং৬৮জন৩৫জন৫১.৪৭%
২০১৩ইং৭৩জন৬৬জন৯০.৪১%
২০১৪ইং৬১জন৫৩জন৮৬.৮৯%

৬ষ্ঠ শ্রেণী৭ম শ্রেণী৮ম শ্রেণী৯ম শ্রেণী১০ম শ্রেণী
৭জন৭জন৭জন৬জন১জন

প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলাবোধ, শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীর মেধা বিকাশ।

শিক্ষার্থীর মেধা বিকশের পূর্ণ সুযোগ, শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার্থীর পাশের হার ১০০% এ উন্নতিকরণসহ বিদ্যালয়কে একটি মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে রূপান্তরিত করা।

শরীয়তপুর জেলা থেকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা সদর, অতঃপর রিক্সা/অটোরিক্সা যোগে মহিষার দিগম্বরী উচ্চ বিদ্যালয়।

E-Mail: mohisardigambori@mail.com

মোবাইলঃ (প্রধান শিক্ষক) +8801754540974

বিভিন্ন শ্রেণিতে প্রায় ১৫০জন মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে।



Share with :

Facebook Twitter