মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মুক্তিযুদ্ধে ভেদরগঞ্জ

১৯৭১ সলের রক্তে ঝরা দিনগুলোতে মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমনে হানাদার মুক্ত হয়েছিল শরীয়তপুরে বিভিন্ন অঞ্চল। তারই ধারাবাহিকতায় ভেদরগঞ্জ এলাকা হানাদার মুক্ত হয়েছিল ৪ ডিসেম্বর। মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ অভিযানে ওইদিন হানাদারদের বিরুদ্ধে আক্রমন পরিচালনা করে। স্বধীনতার এই দিনে ভেদরগঞ্জ উল্লাসিত জনতা ও মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীন বাংলার পতাকা নিয়ে বিজয় উল্লাসে ‘জয়বাংলা’মেতে উঠে। দুপুর পর্যন্ত ওইদিন হাজার হাজার জনতা বিজয় উল্লাসে উপজেলা সদর প্রকম্পিত করে তোলে।

তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের প্রধান সেনা ছাউনি কুমিল্লা ময়নামতি ক্যান্টনম্যান্ট সন্নিকটে থাকায় এঅঞ্চলের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। স্বাধীনতা ঘোষনার মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই অর্থাৎ ৩১মার্চ রাজধানী সহ বিভাগীয় শহরের বাইরে শত্রু সেনাদের সাথে সন্মূখ যুদ্ধে প্রাণ বাজি রেখে বিজয় ছিনিয়ে আনার গৌরবময় অধ্যায় প্রথম থেকেই ভেদরগঞ্জ দানা বাঁধতে শুরু করে।


এছাড়াও মুক্তি যুদ্ধে ভেদরগঞ্জ বাসীর অবদান ছিল প্রশংসনীয়।
 


Share with :

Facebook Twitter